লোকপ্রজ্ঞার ১৯ তম অনুভব দর্শন ও যুব সম্মেলন
বিগত ১৯শে জানুয়ারি ২০২৫, বেলভেডিয়ার রোড, আলিপুর, কলকাতা ৭০০০২৭ এ অবস্থিত ভারতের জাতীয় গ্রন্থাগারের ভাষাভবনে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পেক্ষাগৃহে লোকপ্রজ্ঞা ও জাতীয় গ্রন্থাগার, কলকাতা কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল ১৯ তম অনুভব দর্শন ও যুব সম্মেলন। বিষয়ভাবনা ছিল "স্বামীজি-নেতাজি এবং আজকের যুবসমাজের জন্য তাঁদের প্রাসঙ্গিকতা"। দুটি কালাংশে বিভক্ত অনুষ্ঠানের সময়কাল ছিল সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৪.০০ টা। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল ডঃ সি ভি আনন্দ বোসকে মহোদয়। সম্মানীয় বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ এডুকেশনাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর নিবন্ধক পূজনীয় শ্রীমৎ স্বামী কালেশানন্দজী মহারাজ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বলবিদ্যা প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ডঃ সোমনাথ ভট্টাচার্য মহাশয় প্রমুখ। এছাড়াও অন্যান্য অংশগ্রহণকারী ও দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোকপ্রজ্ঞা পরিবারের ছাত্রশক্তির বিভাগের ঊষা, উদয়, উন্মেষ ও উত্তরণ, মাতৃশক্তি, যুবশক্তি ও বিভিন্ন শৈক্ষণিক বিভাগের সদস্যগণ, তাঁদের পরিবার ও বিভিন্ন শিক্ষাব্রতী ব্যক্তিত্ব প্রমুখ, যার সম্মিলিত সংখ্যা পাঁচ শতাধিক।

সম্মাননীয় অতিথিবৃন্দ কর্তৃক দীপ প্রজ্বলন ও ছাত্রশক্তির উদয় বিভাগের বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা ঘটে। বক্তামণ্ডলীর মূল্যবান ও শিক্ষণীয় ভাষণের পাশাপাশি এই যুব সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল ড. সি. ভি. আনন্দ বোস "গভর্নর এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড" ঘোষণা। এই পুরস্কার পাঁচজন যুবকের অসামান্য কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দেবে, যাঁদের নির্বাচন করবেন জাতীয় গ্রন্থাগারের মহাপরিচালকের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি। মাননীয় রাজ্যপাল জানান, এই পুরস্কার শিক্ষাগত উৎকর্ষতা, নেতৃত্ব, সামাজিক সেবা, উদ্ভাবন এবং যুব ক্ষমতায়নের প্রকৃত চেতনাকে স্বীকৃতি জানাবে। তিনি বলেন, এটি ভবিষ্যতে একটি উপযুক্ত অনুষ্ঠানে প্রদান করা হবে। পুরস্কারের মধ্যে ₹১০,০০০ নগদ অর্থ, একটি প্রশংসাপত্র এবং একটি ট্রফি থাকবে। রাজ্যপাল সকলকে যুবকদের এই অসামান্য প্রচেষ্টা এবং তাদের সফলতা উদযাপনের জন্য একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান। লোকপ্রজ্ঞার রাজ্য রাজ্য সম্পর্ক প্রমুখ ডাঃ আশিস মণ্ডলের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের পর রাষ্ট্রগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।